আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে সম্পাদিত চুক্তির (প্যাকেজ-২) আওতায় ভারত থেকে আমদানি করা ছয় হাজার টন সেদ্ধ চাল নিয়ে এমভি পিএইচইউ টিএইচএএনএইচ ৩৬ নামের একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের জেটিতে ভিড়েছে। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে গতকাল এ তথ্য জানানো হয়। জাহাজে থাকা চালের নমুনা পরীক্ষা শেষে এদিনই খালাস কার্যক্রম শুরু হয় বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
এর আগে গত বুধবার পাকিস্তানের কাসিম বন্দর থেকে ২৬ হাজার ২৫০ টন আতপ চাল নিয়ে এমভি সিবি নামের একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে আসে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে দেশটির সঙ্গে জিটুজির ভিত্তিতে আমদানির চুক্তি হওয়া ৫০ হাজার টন চালের প্রথম চালান এটি। আগামী ১০ মার্চ নাগাদ পাকিস্তানি চালের দ্বিতীয় চালান বাংলাদেশে আসবে। এতে প্রতি টন আতপ চালের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৯৯ মার্কিন ডলার, মোট ব্যয় হবে ৩০৪ দশমিক ৩৯ কোটি টাকা। চাল সরবরাহ করবে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব পাকিস্তান। এ আমদানি হচ্ছে দুই দেশের সরকারি সংস্থার মধ্যে সমঝোতা চুক্তির (জিটুজি) ভিত্তিতে।
অন্যদিকে ভারত থেকেও ৫০ হাজার টন সেদ্ধ চাল আমদানি করা হচ্ছে। এতে প্রতি টনের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৫৪ দশমিক ১৪ মার্কিন ডলার। এতে মোট ব্যয় হবে ২৭৭ কোটি টাকা। চাল সরবরাহ করবে ভারতের মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরের বেসরকারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স গুরুদেব এক্সপোর্টস করপোরেশন লিমিটেড। এ চাল আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে আমদানি করা হচ্ছে।
দেশে চালের বাজার স্থিতিশীল রাখতে জিটুজি ভিত্তিতে মিয়ানমার থেকেও চাল আমদানি করা হয়েছে।